Wednesday, 23 September 2015
হাদিসের পাতা থেকে ইসলামের বানী।
উছমান ইবনু আবূ শায়বা উম্মে ওয়ারাকা বিন্তে নাওফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের সময় আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলি- ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাকে এই যুদ্ধে অংশ গ্রহণের অনুমতি দান করুন, যাতে আমি যুদ্ধাহত সেনানীদের সেবা শুশ্রূষা করার সময় শাহাদাত বরণ করতে পারি। জবাবে তিনি বলেনঃ তুমি স্বগৃহে অবস্হান কর। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন তোমাকে শাহাদাত নসীব করবেন। রাবী বলেন, এজন্য তাকে শহীদ আখ্যায়িত করা হত। রাবী আরও বলেন, তিনি কুরআন সম্পর্কে বিশেষ অভিজ্ঞ ছিলেন। একদা তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আরয কুরআন যে, তার ঘরে আযানের জন্য যেন একজন মুয়াজ্জ্বীন নিযুক্ত করা হয় (মহিলাদের জামাআত কায়েমের উদ্দেশ্যে)। (তার শাহাদাত বরণের ঘটনা এই যে) তিনি তার এক দাস ও এক দাসীকে এই চুক্তিতে আযাদ কুরআন যে, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আযাদ হবে একদা রাতে তারা (দাস-দাসী) তাদেরকে চাঁদর দিয়ে আবৃত করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে এবং পালিয়ে চলে যায়। পরদিন সকালে . উমার (রাঃ) তাকে মৃত অবস্হায় দেখে সকলের নিকট বলেন, তার নিকট যে দাস-দাসী থাকত তাদের সম্পর্কে তোমাদের যে ব্যক্তি অবগত আছে সে যেন তাদেরকে আমার নিকট হাযির করে। (অতঃপর উপস্হিত করা হলে তারা তাকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে) তখন তাদেরকে শুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয় এবং মদ্বীনাতে এটাই শুলিবিদ্ধ করে মৃত্যুদন্ডের সর্বপ্রথম ঘটনা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment