sahih muslim

                            SAHIH MUSLIM(BANGLA)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, প্রত্যেক সালাতে (নামায) কিরাআত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যে সালাত (নামায/নামাজ) (কিরাআত) শুনিয়েছেন, আমরাও সে সালাত (নামায/নামাজ) তোমাদের কে শোনাই আর যে সালাত (নামায/নামাজ) নীরবে পাঠ করেছেন আমরাও সে সালাত (নামায/নামাজ) নীরবে পাঠ করি। যে ব্যাক্তি উম্মুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে তার জন্য তা যথেষ্ট হবে। আর যে আরো! বেশী পাঠ করবে তা হবে উত্তম
৭৬৮ মুহাম্মদ ইবনুল মূসান্না (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক বার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন। তখন একটি লোক প্রবেশ করল। সে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করল। তারপর এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করল। সালামের জবাব দিয়ে বললেন , ফিরে গিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় কর। কারণ তোমার সালাত (নামায/নামাজ) হয়নি। লোকটি ফিরে গিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করল। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর কাছে এসে সালাম করল। রাসূলল্লাহ উত্তর দিয়ে বললেন , গিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় কর। কারণ তোমার সালাত (নামায/নামাজ) হয়নি। এই রুপ তিন বার করলেন। অতঃপর লোকটি বলল, আপনাকে সত্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করে পাঠিয়েছেন সেই সত্তার কসম! সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের এর চেয়ে ভাল কোন পন্হা থাকলে আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেন , যখন তুমি সালাত (নামায/নামাজ)-এর জন্য দাড়াবে তখন তাকবীর বলবে। তারপর তুমি কুরআনের যতটুকু জানো তা থেকে যা সহজ হয় তাই পাঠ করবে। তারপর রুকু করবে। এমন কি নিবিষ্ট ভাবে (কিছুক্ষণ) রুকু করতে থাকবে। তারপর (রুকু থেকে) উঠবে, সোজা ভাবে (কিছুক্ষণ) দণ্ডায়মান থাকবে। তারপর সিজদা করবে। (কিছুক্ষণ) নিবিষ্ট ভাবে সিজদারত থাকবে। তারপর উঠে বসবে। এবং (কিছুক্ষণ) সোজা ভাবে বসে থাকবে। তোমার গোটা সালাত (নামায/নামাজ) এরুপ করবে

No comments:

Post a Comment