জান্নাত, জান্নাতের নিয়ামত ও জান্নাতবাসীগনের বিবরণ
আবূ বকর ইবনু আবী শায়বা ও আবূ কুরায়ব (অন্য সনদে) ইবনু নুমায়র (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা বলেঁছেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব জিনিস তৈরী করে রেখেছি, যা কোন চক্ষু কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি এবং যা কোন অন্তকরণ কখনো কল্পনাও করেনি। এগুলো আমি তোমদের জন্য জমা করে রেখে দিয়েছি। এসব ছাড়া আল্লাহ তোমাদেরকে যা কিছু দেখিয়েছেন এর কোন মূল্য নেই। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন, “কেউই জানেনা তাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর কী লূকায়িত রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পূরুস্কার স্বরুপ। ” (সূরা সাজদাঃ ১৭
হারুন ইবনু মারুফ ও হারুন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) সা’দ ইবনু সা’দ আল সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বর্ননাতীতভাবে জান্নাতের প্রশংসা করে শেষ পর্যায়ে বললেন, এতে এমন সব নিয়ামত রয়েছে যা কোন চক্ষু কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি এবং কোন অন্তকরণ কখনো কল্পনাও করেনি। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন- তারা শয্যা ত্যাগ করত তাদের প্রতিপালককে ডাকে, আশায় ও আশংকায় এবং তাদেরকে যে রিযক দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানেনা তাদের জন্য নয়ন প্রীতিকরণ কী লুকায়িত রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরুপ।
হাদীসের পাতা থেকে ইসলামের বানী
Monday, 2 November 2015
Saturday, 31 October 2015
quran recitation
হারামালা ইবনু ইয়াহইয়া তুজিবী (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এ কথা বলতে শুনেছি, আল্লাহ যখন কোন সম্প্রদায়কে আযাব দেয়ার ইচ্ছা করেন তখন এ আযাব ঐ সম্প্রদায়ে অবস্হিত সকলকেই গ্রাস করে নেয়। অতঃপর কিয়ামতের দিন স্বীয় আমলের উপর উত্থিত হবে।
কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) জাবির (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে একথা বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক বান্দা কিয়ামতের দিন ঐ অবস্হায় উন্থিত হবে, যে অবস্হায় সে মৃত্যূবরণ করেছেন।
Subscribe to:
Comments (Atom)